Monday, September 16, 2019

EKEN H9R (Latest Version 7.0) Action Camera + Remote + All Accessories EKEN H9R (সর্বশেষ সংস্করণ 7.0) অ্যাকশন ক্যামেরা + রিমোট + সমস্ত আনুষাঙ্গিক

EKEN H9R (Latest Version 7.0) Action Camera + Remote + All Accessories

20% price lessoffer price ৳4,000.00 Regular Price ৳5,000.00

 Additional Offers (Optional)
Extra Battery + ৳900.00
High Speed 80MB/s SanDisk 32GB + ৳800.00
High Speed 80MB/s SanDisk 64GB + ৳2,400.00




    EKEN H9R Action Camera + Wireless Remote
    Waterproof up to 100 feet
    4K video & 12MP photos
    2-inch LCD Display
    1050mAh Battery (4K/20MIN | 2.7K/30MIN =

50MIN)
    Support Facebook & YouTube LIVE Streaming

on iOS
for buy click here 

অতিরিক্ত অফার (ptionচ্ছিক)
অতিরিক্ত ব্যাটারি + ৳ 900.00
উচ্চ গতি 80 এমবি / সে সানডিস্ক 32 জিবি + ৳ 800.00
উচ্চ গতি 80 এমবি / সে সানডিস্ক 64 জিবি + ৳ 2,400.00




     EKEN H9R অ্যাকশন ক্যামেরা + ওয়্যারলেস রিমোট
     100 ফুট পর্যন্ত জলরোধী
     4 কে ভিডিও এবং 12 এমপি ফটো
     2 ইঞ্চির এলসিডি ডিসপ্লে
     1050mAh ব্যাটারি (4K / 20MIN | 2.7K / 30MIN =

50MIN)
     সমর্থন ফেসবুক এবং ইউটিউব লাইভ স্ট্রিমিং

আইওএস এ

for buy click here 





Wednesday, September 4, 2019

নতুন বাইক কেনার সময় যে সব কাগজ পত্র বুঝে নেওয়া উচিৎ।


বাইক মানুষের অতি পছন্দের জিনিস।বাইক কেনার সময় তারাহুরা করি এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের কথা ভূলে যায়।পরবর্তীতে রেজিস্ট্রেশন করতে গিয়ে অনেক ঝামেলায় পরি।।তাই নতুন বাইক কেনার সময় আমাদের রেজিস্ট্রেশনের জন্য যে সব কাগজপত্র বুঝে নেওয়া উচিৎ না নিন্মে দেওয়া হল
১)শুরুম কর্তৃক প্রদানকৃত প্রত্যয়ন পত্র।
২)ডিলারের নমুনা স্বাক্ষর (এক জেলা থেকে ক্রয় করে অন্য জেলায় নাম্বার করার সময় দরকার হয়)
৩)Owners particular /Specimen শিগ্নাতুরে
৪)Form of application for the registration of motor ভেহিচলে
৫)শুরুম কর্তৃক প্রদানকৃত সেল সার্টিফিকেট
৬)শুরুম কর্তৃক প্রদানকৃত ডেলিভারী চালান
৭)শুরুম কর্তৃক প্রদানকৃত মূশক-11
৮)শুরুম কর্তৃক প্রদানকৃত ট্রেজারী চালান
৯)শুরুম কর্তৃক প্রদানকৃত ক্রয় চালান/মূশক ক্রয় চালান
১০)গেইট পাসা- অরিজিনাল নিতে হবে
শুরুম কর্তৃক প্রদানকৃত ইনভয়েস (যে মোটরসাইকেলটি আপনি নিয়েছেন সেটি, যেই ইনভয়েস আছে সেটার পুরা সেট নিতে হবে)।
১১)বিল অব এন্ট্রি
১২)প্যাকিং লিস্ট
বিল অব লেডিং)
১৩)এল.সি কপি
সকল ভাইদের প্রতি অনুরোধ কম বয়সি ছেলেদের হাতে বাইক দিবেন না।বয়স কম থাকায়, শরীরের রক্ত গরম হয় দুর্ঘটনা ঘটায়।Facebook group: https://www.facebook.com/groups/537070333701573/

Monday, September 2, 2019

মোটরসাইকেলে প্রত্যাশিত মাইলেজ পাওয়ার জন্যে কিছু টিপস

মোটরসাইকেলে প্রত্যাশিত মাইলেজ পাওয়ার জন্যে কিছু টিপস শেয়ার করছি আজকে।

১: চেক করুন মোটরসাইকেলের চাকা freely ঘুরছে কিনা। অনেক সময় ব্রেক অতিরিক্ত টাইট থাকার কারনে চাকা জ্যাম হয়ে থাকে। আবার চাকার বেয়ারিং ভেংগে গেলেও চাকা জ্যাম হয়ে থাকে। আর চাকা জ্যাম থাকলে একই গতিতে ইঞ্জিনে বেশি চাপ বহন করতে হবে। আর ফলাফল স্বরুপ মাইলেজ কমে আসবে।

যদি চাকা জ্যাম থাকে তাহলে অবশ্যই তার সমাধান করুন। অনেক সময় চাকার মেইন নাট মাত্রাতিরিক্ত টাইট করার কারনেও চাকা জ্যাম হতে পারে। সাবধান থাকুন কারন অতিরিক্ত টাইট নাট যেকোন সময় গোড়া থেকে ভেঙ্গে আসতে পারে। যার ফলাফল শুভ হবেনা।

২: চেইন অতিরিক্ত টাইট থাকাও চাকা জ্যামের কারন। সেই সাথে চেইন নিয়মিত পরিস্কার না করা বা লুব্রিকেন্ট না দেয়া হলেও মাইলেজে কিছু কমতি দেখা যায়। ম্যানুয়ালে উল্লেখিত মাত্রায় চেইন টাইট রাখুন।

নোটঃ অতিরিক্ত টাইট চেইন থাকলে স্প্রোকেট খুব তাড়াতাড়ি ক্ষয়ে যায় আর চলন্ত অবস্থায় ছিড়ে যাবার সম্ভাবনাও থাকে।

৩: দূর্বল পিস্টন-রিং কম মাইলেজের আরেকটি কারন। এ সমস্যা থাকলে ইঞ্জিন অয়েল পিস্টন চেম্বারে (combustion chamber) এ চলে আসে আর পেট্রলের দাহ্যগুন কমিয়ে দেয়। ফলাফলঃ কম মাইলেজ + কম শক্তি।

৪: ভালভ ক্লিয়ারেন্স মাইলেজ ও শক্তি কম দেয়ার সবচেয়ে বড় কারন বলে আমি মনে করি। (সাধারনত মেকানিকরা একে টেপিট মিলানো বলে।) অতিরিক্ত টাইট ভালভ ইঞ্জিনের শব্দ কমিয়ে দেয় ঠিকই, কিন্তু টাইমিং চেইনের উপর এর প্রভাব পড়ে। এতে করে ইঞ্জিনের মধ্যকার ফ্রিকশন বেড়ে যায়। সহজভাবে বললে ইঞ্জিন সহজভাবে ঘুরতে বাধা পায়। এতে অতিরিক্ত জ্বালানী খরচ হয়। সেই সাথে টাইমিং চেইনটাও বেশিদিন টিকেনা।

একইভাবে বেশি ভালভ ক্লিয়ারেন্সের ক্ষেত্রে early অথবা late combustion হয় যা কাম্য নয়। সোজা কথা ভালব ক্লিয়ারেন্স যতটা নিখুঁত হবে, মোটরসাইকের পারফর্মেন্স এবং মাইলেজ ততটা বৃদ্ধি পাবে।

৫: কার্বুরেটর। এইবার আসা যাক এখানে। হ্যা এটা দিয়ে তেল বাড়ানো কমানো যায়। কিন্তু এখানে যত কম হাত দিবেন ততই মঙ্গল। কার্বুরেটর এবং এর adjustment স্ক্রু গুলি অত্যন্ত sensitive হয়ে থাকে। অনভিজ্ঞ মেকানিক দ্বারা কখনও কার্বুরেটর টিউন করাবেন না। এতে এটি নষ্ট হবার সম্ভাবনা বাড়ে আর তখন উচ্চমূল্যে আরেকটি কেনা ছাড়া উপায় থাকেনা।

৬: কোম্পানি নির্ধারিত গ্রেডের ইঞ্জিন অয়েল ব্যাবহার করুন। এতে আপনার মোটরসাইকেলের ইঞ্জিনের স্থায়ীত্বও বৃদ্ধি পাবে।

৭: প্রস্তুতকারক কতৃক নির্ধারিত মাপের থেকে মোটা চাকা ব্যবহার করলে মাইলেজ কমে আসে।

৮: টায়ার প্রেশার প্রস্তুতকারকের পরামর্শ অনুযায়ী রাখুন এবং প্রতি দুই সপ্তাহে একবার চেক করুন

৯: উন্নতমানের স্পার্ক প্লাগ ব্যাবহার করুন। বাজারে ngk irridium plug পাওয়া যাচ্ছে এখন।

১০: এয়ার ফিল্টারের কথা একেবারেই ভুলে গেছিলাম। অবশ্যই মনে করে প্রতি সার্ভিসিং এ এয়ার ফিল্টার পরিস্কার করুন এবং নির্ধারিত সময় পর পর বদলে ফেলুন। একটি ময়লা হয়ে যাওয়া এয়ার ফিল্টার কম মাইলেজের অন্যতম প্রধান কারন।

এসব কারন ছাড়াও RPM অতিরিক্ত বাড়িয়ে রাখা, বার বার ব্রেক করে আবার গতি বাড়িয়ে চালানো, সিগনালে স্টার্ট বন্ধ না করা, নিম্নমানের পেট্রল/অকটেন ব্যাবহার প্রভৃতি কারনেও মাইলেজ কমে আসে। ভবিষ্যতে আরও কোন কারন মনে হলে জানানোর চেষ্টা করা হবে।

আপনার মোটরসাইকেলের যত্ন নিন। সেও আপনাকে সর্বোচ্চ পারফর্মেন্স দিবে

টাইমিং চেইন সমস্যার পূর্ব লক্ষন ও তার সমাধান

Timing chain problem /টাইমিং চেইন সমস্যার পূর্ব লক্ষন ও তার সমাধান
যেসব লক্ষণ দেখলে বুঝবেন আপনার টাইমিং চেইন নষ্ট হয়ে যাওয়া শুরু করেছে
টাইমিং চেইন ইঞ্জিনের ভিতরে ফ্লাইহুইলের সাথে সংযুক্ত থাকে। যতক্ষন পিস্টন আপ-ডাউন করে ততক্ষণ ফ্লাইহুইল ঘুড়ে। এই ঘুর্ণন শক্তি টাইমিং চেইনের সাহায্যে গিয়ার প্লেটে আসে এবং আমাদের বাইক সচল হয়। কোন কারণে টাইমিং চেইনের উপরে অতিরিক্ত চাপ পড়লে ঢিল হয়ে যেতে পারে। আমরা যখন হুইলি, ড্রাগ ড্রিফট, ৩৬০ করি তখন হটাত করে ক্লাচ ছাড়ি। তখন টাইমিং চেইনের উপর কিছুটা চাপ পড়ে। আবার যারা রাস্তায় রাফ চালাই তারা হুট হাট স্পিড তোলার কারণেও টাইমিং চেইনের উপর চাপ পড়ে। একদিন দুইদিনে হয়তো তেমন কিছুই হয় না। কিন্তু ক্রমান্বয়ে এই সমস্যা আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে। আমাদের চাকার চেইনে প্রব্লেম হলে দেখা যায়। কিন্তু টাইমিং চেইন ইঞ্জিনের ভিতরে থাকে, এটি লুজ হলে কিংবা ক্ষয় হওয়া শুরু হলে আমরা দেখতে পাই না। কিন্তু কিছু লক্ষণ আপনার বাইকে দেখা দিলেই বুঝতে হবে টাইমিং চেইনে সমস্যা দেখা দিয়েছে।
প্রথম লক্ষণ হলো আপনি যখন হাই স্পিডে থেকে পিকআপ ছেড়ে দিবেন তখন মিসফায়ার করবে। পিকআপ ছেড়ে দিলে ইঞ্জিনের ক্যামশিফট ঘুড়তে চায় না। কিন্তু ভরবেগের কারণে কিছুক্ষন ঘুড়ে। এইসময় টাইমিং চেইনই চাকার শক্তি ইঞ্জিনের ক্যামশিফট পর্যন্ত নিয়ে যায়। যদি টাইমিং চেইন ঢিল হয় তাহলে ফ্লাইহুইলকে ঘুড়াতে পারে না। ফ্লাই হুইলকে স্পিন না করিয়েই এর উপর দিয়ে ঘুড়ে যায়। যার ফলে বিকট একটা শব্দের সৃষ্টি হয়। এটি হলো টাইমিং চেইন ড্যামেহ হওয়ার প্রথম লক্ষণ।
দ্বিতীয়ত আপনি যখন মবিল বা ইঞ্জিন ওয়েল ড্রেইন করবেন তখন পুরাতন ইঞ্জিন ওয়েল দেখবেন ধাতব কণার মিশ্রণ আছে। এটি হলো টাইমিং চেইন লুজ হবার ফল। টাইমিং চেইন লুজ হলে অন্য পার্টসের সাথে লেগে কিংবা ধাক্কাধাক্কিতে ক্ষয় হতে থাকে। এই ক্ষয় হওয়া অংশগুলো মবিলের সাথে মিশে। যা ইঞ্জিনের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এইসব ধাতব কণা ইঞ্জিনের অন্যান্য অংশও নষ্ট করতে পারে। আপনি যদি মবিল ছাড়ার পর এসব ধাতব কণা দেখতে পান তবে যত দ্রুত সম্ভব টাইমিং চেইন পরিবর্তন করুন। বাইক দ্রুত গতিতে চলন্ত অবস্থায় টাইমিং চেইন ছিড়লে একধরণের বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে পারেন। টাইমিং চেইন ছিড়ার সাথে সাথে বাইক অচল হয়ে যাবে। তেল ফুরালে সাহায্য পাওয়ার সম্ভবনা থাকে কিন্তু টাইমিং চেইন ছিড়লে সাহায্য পাওয়ার কোন সম্ভবনা নেই নিকটস্থ মেকারের দোকান ছাড়া।
তৃতীয়ত যেই লক্ষণটি সেটি হলো ইঞ্জিন থেকে এক প্রকার শিন শিন শব্দ বের হবে। যা কাম্য নয়। এটি বের হলেই বুঝতে হবে টাইমিং চেইন ঠিকমত ঘুড়তে পারছে না। লুজ হয়ে আছে। অর্থাৎ ইঞ্জিনের স্বাভাবিক শব্দ থেকে অতিরিক্ত যদি কোন শিন শিন শব্দ বের হয় তবেই বুঝতে হবে টাইমিং চেইনে ঝামেলা থাকতে পারে। আপনার বিশ্বস্ত মেকানিকের দোকানে নিয়ে চেক করান আপনার বাইক।
আপনার বাইকের নরমাল চেইনের চাইতে টাইমিং চেইনের গুরুত্ব কোন অংশেই কম নয়। টাইমিং চেইন ছিড়ে গেলে আপনার বাইক সম্পূর্ন অকেজো হয়ে যাবে। যতই স্টার্ট দিন, পিক বাড়ান বাইক সামনে আগাবে না। সুতরাং টাইমিং চেইনের ব্যাপারে একটু সচেতন থাকুন। উপরোক্ত লক্ষণগুলো দেখা দিলে অতিদ্রুত মেকানিক দেখান। টাইমিং চেইনের অবস্থা যদি ভালো না হয় তাহলে পরিবর্তন করে ফেলুন।

Saturday, August 31, 2019

Bajaj Pulsar 150 vs Honda CB Hornet 160R Comparison

Bajaj Pulsar 150 vs Honda CB Hornet 160R Comparison

 

VS

Engine TypeSingle Cylinder, 4-Stroke, 2-Valve, Twin Spark, DTS-i EngineSingle Cylinder, 4 Stroke, SI Engine
Engine Displacement (CC)149.5 cc162.71 cc
Power (PS@rpm)14 PS @ 8000 rpm15.09 PS @ 8500 rpm
Torque (Nm@rpm)13.4 Nm @ 6000 rpm14.5 Nm @ 6500 rpm
Price

1,70,900 BDT (Single Disc)
1,89,800 BDT (Single Disc)
0-60 kmph (sec)5.6 Sec5.08 Sec
No Of Cylinders11
Mileage (ARAI) kmpl65kmpl42.85 kmpl
Top Speed (Km/h)110 Kmph115 Kmph
Fuel SystemCarburetorCarburetor
Fuel TypePetrolPetrol
Ignition
Digital CDI
Transmission TypeManualManual
No Of Gears5 Speed5 Speed
Brakes FrontDiscDisc
Brakes RearDrumDrum

 

চলন্ত অবস্থায় মোটরসাইকেলের সমস্যা ও তার সমাধান

চলন্ত অবস্থায় মোটরসাইকেলের সমস্যা ও তার সমাধান

Problems and solution of a running Bike
নিরাপত্তা ও গতির সমন্বয়ের কথা বলতে গেলে বলতেই হয় মোটরসাইকেলের নিরাপত্তার তুলনাতে গতির পরিমান একুট বেশিই দেওয়া আছে। আর তাই নিরাপত্তার বিষয়গুলো বাইকের থেকে নিজেকেই ম্যানেজ করে নিতে হয় বেশি। থেমে থাকা বাইকে কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি চোখে পড়লে তা সারিয়ে নেয়া যায় ধীরে সুস্থ্যে। কিন্তু চলন্ত অবস্থায় কিছু যান্ত্রিক ত্রুটি ক্ষেত্র বিশেষে জীবন-মরণের সীমারেখা হয়ে দাড়ায়। ভুল সিদ্ধান্ত বা দেরীতে সিদ্ধান্তের কারনে ঘটতে পারে বড় দূর্ঘটনা। যান্ত্রিক বাহন মোটরবাইকে যান্ত্রিক ত্রুটি হতেই পারে, চলন্ত অবস্থাতেও যদি যান্ত্রিক ত্রুটির সম্মুখিন হতে হয় তাহলে কি করতে হবে আমরা সেই আলোচনাই করবো।
#এক্সিলারেটরের তার ছিড়ে গেলে
চলন্ত অবস্থায় এক্সিলারেটর বা পিকআপের তার ছিড়ে গেলে সর্বপ্রথম কাজ লুকিং মিররে পেছনের অবস্থা দেখা নেয়া। পেছন দিক নিরাপদ থাকলে ইন্ডিকেটর লাইট জ্বালিয়ে একপাশে গিয়ে গাড়ী পার্ক করা।আচমকা ব্রেক করতে যাবেন না। স্বাভাবিক নিয়মেই ব্রেক করুন।
#এক্সিলারেটর লক হয়ে গেলে
বেশ গতিতে চলা অবস্থায় পিকআপ লক হয়ে গেলে অর্থাৎ আর কমানো বা বাড়ানো না গেলে সেক্ষেত্রে ভয়ের কিছু নেই, ডান হ্যান্ডেলবারের ইনজিন সু্ইচটি দিয়ে ইনজিন অফ করে দিন, ক্লাচ চেপে ব্রেকিং এ মনযোগ দিন একই সাথে ইনডিকেটর লাইট জ্বালিয়ে বাইককে নিরাপদে একপাশে নিয়ে যান।
#ক্লাচের তার ছিড়ে গেলে
চলন্ত বাইকে আচমকা ক্লাচের তার ছিড়ে গেলে খুব ভয় পাবার কিছু নেই। স্বাভাবিক স্পীড রেখে লুকিং মিররে চোখ রেখে সর্তকতার সাথে রাস্তার একপাশে চলে যান। বাইক থামাতে চাইলে পিকআপ ছেড়ে দিয়ে সতর্কতার সাথে আস্তে করে গিয়ার কমিয়ে দিতে পারেন। নিউট্রাল অবস্থায় গেলে সাবধানে ব্রেক করে থেমে যেতে পারেন। গিয়ার অবস্থায় ব্রেক করলে আচমকা স্টার্ট বন্ধ হয়ে বাইক ঝাকুনি দিয়ে থেমে যেতে পারে। এতে বাইক থেকে পড়ে যাবার ঝুকি থেকে যায়।
#ব্রেকের তার ছিড়ে গেলে
যদিও বর্তমানে অধিকাংশ বাইকের সামনে ডিস্ক ব্রেক দেয়া। তবুও অনেক বাইকেই সামনের ব্রেকে কেবল বা তার রয়েছে। চলন্ত অবস্থায় সামনের ব্রেকের কেবল ছিড়ে গেলে পেছনের ব্রেক আচমকা চেপে ধরবেন না, বরং ছোট ছোট এবং বারে বারে ব্রেক ধরে বাইকের স্পীড কমিয়ে আনুন।
#চেইন ছিড়ে গেলে
চলন্ত অবস্থায় চেইন ছিড়ে যাওয়া খুবই খারাপ জিনিস। নিয়মিত চেইন পরিস্কার এবং পরীক্ষা করা এই ধরনের দুর্ঘটনা থেকে দুরে রাখতে পারে। চেইন ছিড়ে তিনটি ঘটনা ঘটতে পারে।
১. পেছনের চাকায় চেইন আটকে চাকা লক করে দিতে পারে, তাহলে চাকা পিছলে পড়ে যাবার সম্ভবনাই বেশি
২. সামনের গিয়ারের সাথে চেইন জড়িয়ে যেতে পারে, এতে সামনের স্প্রোকের ঢাকনাটি ফেটে বাম পায়ে আঘাত লাগতে পারে
৩. কপাল ভালো থাকলে চেইন ঝুলে থাকতে পারে বা খুলে পড়ে যেতে পারে, সেক্ষেত্রে স্পীড কমিয়ে সাবধানে ব্রেক করে নিরাপদে এক পাশে সাইড করুন।
#তেল শেষ হয়ে গেলে
বাইকের তেল রিজার্ভে থাকা অবস্থায় কখনই দ্রুত গতিতে ব্যস্ত রাস্তায় চলা ঠিক নয়। কখন তেল শেষ হয়ে স্টার্ট বন্ধ হয়ে বিপদে ফেলবে তার ঠিক নেই। চলন্ত বাইকে তেল শেষ হয়ে গেলে বা রিজার্ভে চলে আসলে আচমকা স্টার্ট বন্ধ হয় না বরং দুই/একবার ইন্জিন বন্ধ হতে গিয়ে আবার চালু হয়, অভিজ্ঞ বাইকার মাত্রই বুঝতে পারেন তেল রিজার্ভে চলে এসেছে। সেক্ষেত্রে পিকআপ কমিয়ে রাস্তায় চোখ রেখে তেলের সুইচ রিজার্ভে দিয়ে দিতে হবে। আর আগে থেকেই রিজার্ভে থাকলে লুকিং মিররের পেছনে দেখে নিয়ে ইনডিকেটর লাইট জ্বালিয়ে নিরাপদে একপাশে সরে গিয়ে থামতে হবে।
#চাকা পাংকচার হয়ে গেলে
বাইকারদের জন্য আতংকজনক একটি শব্দ। চাকা পাংকচার হওয়া বাইক ঠেলে মেকানিকের কাছে পর্যন্ত পৌছা যে কত যন্ত্রনার তা ভুক্তভোগী ছাড়া কেউ জানে না।চলন্ত অবস্থায় চাকা পাংকচার হয়ে গেলে আচমকা ব্রেক করবেন না, বিশেষ করে যে চাকা পাংকচার হয়েছে সেটি কখনই ব্রেক করবেন না। প্রথমেই স্পীড কমিয়ে দিন, আচমকা নয়, আস্তে আস্তে। যে চাকা ভালো আছে সে চাকায় সাবধানে ব্রেক করুন। হ্যান্ডেল শক্তকরে ধরে সোজা রাখবেন কেননা চাকা পাংকচার হয়ে গেলে বাইকে বেশ খানিকটা কন্ট্রোল হারাতে হয়।
#হেডলাইট বন্ধ হয়ে গেলে
শহরে রাতের রাস্তায় আলো থাকে কাজেই হেড লাইট বন্ধ হলেও মারাত্বক ঘটনা নয়, কিন্তু হাইওয়ে ধরে চলন্ত বাইকে আচমকা হেডলাইট নিভে গেলে ভয় পেতেই হয়। বাল্ব কেটে গিয়ে বা যে কারনেই হোক আলো বন্ধ হয়ে গেলে পার্কিং লাইট জ্বালান, কম হলেও কিছু আলো পাবেন। বামের ইন্ডিকেটর জ্বালান, এবার ব্রেকিং মুডে গিয়ে বামে চেপে নিরাপদে পার্ক করুন।
#হর্ন নষ্ট হলে
বাইরের দেশ বিষেশকরে উন্নত দেশগুলিতে হর্ন তেমন গুরুত্ত্বপূর্ন না হলেও আমাদের মত দেশগুলিতে যেখানে ট্রাফিক আইন মানা হয় না সেখানে হর্ন বেশ গুরুত্ত্বপূর্ন একটা ফীচার। আচমকা চলতি পথে হর্ন নষ্ট হলে সাবধানে নিরাপদ স্পীডে বাইক চালান, মনে রাখবেন আপনি হর্নে অভ্যস্ত তাই যত দ্রুত সম্ভব রোডসাইড মেকানিক দিয়ে হর্ন ঠিক করে নিয়ে বাইক চালান।

পরিশেষে
বিপদে নার্ভ শক্ত রাখা বিপদকে অর্ধেক মোকাবেলার করার সমতূল্য। কাজেই ঘটনা যাই হোক, ভয় না পেয়ে সম্ভাব্য মোকাবেলার পথ খুজে নিয়ে কাজে নেমে পড়ুন। আগে থেকেই ধারনা থাকলে বিপদ মোকাবেলা সহজ হয়। তাই সম্ভাব্য বিপদ এবং তার প্রতিকার নিয়ে পূর্বে থেকেই ধারনা রাখার বুদ্ধিমানের কাজ।