যেসব লক্ষণ দেখলে বুঝবেন আপনার টাইমিং চেইন নষ্ট হয়ে যাওয়া শুরু করেছে
টাইমিং চেইন ইঞ্জিনের ভিতরে ফ্লাইহুইলের সাথে সংযুক্ত থাকে। যতক্ষন পিস্টন আপ-ডাউন করে ততক্ষণ ফ্লাইহুইল ঘুড়ে। এই ঘুর্ণন শক্তি টাইমিং চেইনের সাহায্যে গিয়ার প্লেটে আসে এবং আমাদের বাইক সচল হয়। কোন কারণে টাইমিং চেইনের উপরে অতিরিক্ত চাপ পড়লে ঢিল হয়ে যেতে পারে। আমরা যখন হুইলি, ড্রাগ ড্রিফট, ৩৬০ করি তখন হটাত করে ক্লাচ ছাড়ি। তখন টাইমিং চেইনের উপর কিছুটা চাপ পড়ে। আবার যারা রাস্তায় রাফ চালাই তারা হুট হাট স্পিড তোলার কারণেও টাইমিং চেইনের উপর চাপ পড়ে। একদিন দুইদিনে হয়তো তেমন কিছুই হয় না। কিন্তু ক্রমান্বয়ে এই সমস্যা আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে। আমাদের চাকার চেইনে প্রব্লেম হলে দেখা যায়। কিন্তু টাইমিং চেইন ইঞ্জিনের ভিতরে থাকে, এটি লুজ হলে কিংবা ক্ষয় হওয়া শুরু হলে আমরা দেখতে পাই না। কিন্তু কিছু লক্ষণ আপনার বাইকে দেখা দিলেই বুঝতে হবে টাইমিং চেইনে সমস্যা দেখা দিয়েছে।
প্রথম লক্ষণ হলো আপনি যখন হাই স্পিডে থেকে পিকআপ ছেড়ে দিবেন তখন মিসফায়ার করবে। পিকআপ ছেড়ে দিলে ইঞ্জিনের ক্যামশিফট ঘুড়তে চায় না। কিন্তু ভরবেগের কারণে কিছুক্ষন ঘুড়ে। এইসময় টাইমিং চেইনই চাকার শক্তি ইঞ্জিনের ক্যামশিফট পর্যন্ত নিয়ে যায়। যদি টাইমিং চেইন ঢিল হয় তাহলে ফ্লাইহুইলকে ঘুড়াতে পারে না। ফ্লাই হুইলকে স্পিন না করিয়েই এর উপর দিয়ে ঘুড়ে যায়। যার ফলে বিকট একটা শব্দের সৃষ্টি হয়। এটি হলো টাইমিং চেইন ড্যামেহ হওয়ার প্রথম লক্ষণ।
দ্বিতীয়ত আপনি যখন মবিল বা ইঞ্জিন ওয়েল ড্রেইন করবেন তখন পুরাতন ইঞ্জিন ওয়েল দেখবেন ধাতব কণার মিশ্রণ আছে। এটি হলো টাইমিং চেইন লুজ হবার ফল। টাইমিং চেইন লুজ হলে অন্য পার্টসের সাথে লেগে কিংবা ধাক্কাধাক্কিতে ক্ষয় হতে থাকে। এই ক্ষয় হওয়া অংশগুলো মবিলের সাথে মিশে। যা ইঞ্জিনের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এইসব ধাতব কণা ইঞ্জিনের অন্যান্য অংশও নষ্ট করতে পারে। আপনি যদি মবিল ছাড়ার পর এসব ধাতব কণা দেখতে পান তবে যত দ্রুত সম্ভব টাইমিং চেইন পরিবর্তন করুন। বাইক দ্রুত গতিতে চলন্ত অবস্থায় টাইমিং চেইন ছিড়লে একধরণের বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে পারেন। টাইমিং চেইন ছিড়ার সাথে সাথে বাইক অচল হয়ে যাবে। তেল ফুরালে সাহায্য পাওয়ার সম্ভবনা থাকে কিন্তু টাইমিং চেইন ছিড়লে সাহায্য পাওয়ার কোন সম্ভবনা নেই নিকটস্থ মেকারের দোকান ছাড়া।
তৃতীয়ত যেই লক্ষণটি সেটি হলো ইঞ্জিন থেকে এক প্রকার শিন শিন শব্দ বের হবে। যা কাম্য নয়। এটি বের হলেই বুঝতে হবে টাইমিং চেইন ঠিকমত ঘুড়তে পারছে না। লুজ হয়ে আছে। অর্থাৎ ইঞ্জিনের স্বাভাবিক শব্দ থেকে অতিরিক্ত যদি কোন শিন শিন শব্দ বের হয় তবেই বুঝতে হবে টাইমিং চেইনে ঝামেলা থাকতে পারে। আপনার বিশ্বস্ত মেকানিকের দোকানে নিয়ে চেক করান আপনার বাইক।
আপনার বাইকের নরমাল চেইনের চাইতে টাইমিং চেইনের গুরুত্ব কোন অংশেই কম নয়। টাইমিং চেইন ছিড়ে গেলে আপনার বাইক সম্পূর্ন অকেজো হয়ে যাবে। যতই স্টার্ট দিন, পিক বাড়ান বাইক সামনে আগাবে না। সুতরাং টাইমিং চেইনের ব্যাপারে একটু সচেতন থাকুন। উপরোক্ত লক্ষণগুলো দেখা দিলে অতিদ্রুত মেকানিক দেখান। টাইমিং চেইনের অবস্থা যদি ভালো না হয় তাহলে পরিবর্তন করে ফেলুন।
টাইমিং চেইন ইঞ্জিনের ভিতরে ফ্লাইহুইলের সাথে সংযুক্ত থাকে। যতক্ষন পিস্টন আপ-ডাউন করে ততক্ষণ ফ্লাইহুইল ঘুড়ে। এই ঘুর্ণন শক্তি টাইমিং চেইনের সাহায্যে গিয়ার প্লেটে আসে এবং আমাদের বাইক সচল হয়। কোন কারণে টাইমিং চেইনের উপরে অতিরিক্ত চাপ পড়লে ঢিল হয়ে যেতে পারে। আমরা যখন হুইলি, ড্রাগ ড্রিফট, ৩৬০ করি তখন হটাত করে ক্লাচ ছাড়ি। তখন টাইমিং চেইনের উপর কিছুটা চাপ পড়ে। আবার যারা রাস্তায় রাফ চালাই তারা হুট হাট স্পিড তোলার কারণেও টাইমিং চেইনের উপর চাপ পড়ে। একদিন দুইদিনে হয়তো তেমন কিছুই হয় না। কিন্তু ক্রমান্বয়ে এই সমস্যা আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে। আমাদের চাকার চেইনে প্রব্লেম হলে দেখা যায়। কিন্তু টাইমিং চেইন ইঞ্জিনের ভিতরে থাকে, এটি লুজ হলে কিংবা ক্ষয় হওয়া শুরু হলে আমরা দেখতে পাই না। কিন্তু কিছু লক্ষণ আপনার বাইকে দেখা দিলেই বুঝতে হবে টাইমিং চেইনে সমস্যা দেখা দিয়েছে।
প্রথম লক্ষণ হলো আপনি যখন হাই স্পিডে থেকে পিকআপ ছেড়ে দিবেন তখন মিসফায়ার করবে। পিকআপ ছেড়ে দিলে ইঞ্জিনের ক্যামশিফট ঘুড়তে চায় না। কিন্তু ভরবেগের কারণে কিছুক্ষন ঘুড়ে। এইসময় টাইমিং চেইনই চাকার শক্তি ইঞ্জিনের ক্যামশিফট পর্যন্ত নিয়ে যায়। যদি টাইমিং চেইন ঢিল হয় তাহলে ফ্লাইহুইলকে ঘুড়াতে পারে না। ফ্লাই হুইলকে স্পিন না করিয়েই এর উপর দিয়ে ঘুড়ে যায়। যার ফলে বিকট একটা শব্দের সৃষ্টি হয়। এটি হলো টাইমিং চেইন ড্যামেহ হওয়ার প্রথম লক্ষণ।
দ্বিতীয়ত আপনি যখন মবিল বা ইঞ্জিন ওয়েল ড্রেইন করবেন তখন পুরাতন ইঞ্জিন ওয়েল দেখবেন ধাতব কণার মিশ্রণ আছে। এটি হলো টাইমিং চেইন লুজ হবার ফল। টাইমিং চেইন লুজ হলে অন্য পার্টসের সাথে লেগে কিংবা ধাক্কাধাক্কিতে ক্ষয় হতে থাকে। এই ক্ষয় হওয়া অংশগুলো মবিলের সাথে মিশে। যা ইঞ্জিনের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এইসব ধাতব কণা ইঞ্জিনের অন্যান্য অংশও নষ্ট করতে পারে। আপনি যদি মবিল ছাড়ার পর এসব ধাতব কণা দেখতে পান তবে যত দ্রুত সম্ভব টাইমিং চেইন পরিবর্তন করুন। বাইক দ্রুত গতিতে চলন্ত অবস্থায় টাইমিং চেইন ছিড়লে একধরণের বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে পারেন। টাইমিং চেইন ছিড়ার সাথে সাথে বাইক অচল হয়ে যাবে। তেল ফুরালে সাহায্য পাওয়ার সম্ভবনা থাকে কিন্তু টাইমিং চেইন ছিড়লে সাহায্য পাওয়ার কোন সম্ভবনা নেই নিকটস্থ মেকারের দোকান ছাড়া।
তৃতীয়ত যেই লক্ষণটি সেটি হলো ইঞ্জিন থেকে এক প্রকার শিন শিন শব্দ বের হবে। যা কাম্য নয়। এটি বের হলেই বুঝতে হবে টাইমিং চেইন ঠিকমত ঘুড়তে পারছে না। লুজ হয়ে আছে। অর্থাৎ ইঞ্জিনের স্বাভাবিক শব্দ থেকে অতিরিক্ত যদি কোন শিন শিন শব্দ বের হয় তবেই বুঝতে হবে টাইমিং চেইনে ঝামেলা থাকতে পারে। আপনার বিশ্বস্ত মেকানিকের দোকানে নিয়ে চেক করান আপনার বাইক।
আপনার বাইকের নরমাল চেইনের চাইতে টাইমিং চেইনের গুরুত্ব কোন অংশেই কম নয়। টাইমিং চেইন ছিড়ে গেলে আপনার বাইক সম্পূর্ন অকেজো হয়ে যাবে। যতই স্টার্ট দিন, পিক বাড়ান বাইক সামনে আগাবে না। সুতরাং টাইমিং চেইনের ব্যাপারে একটু সচেতন থাকুন। উপরোক্ত লক্ষণগুলো দেখা দিলে অতিদ্রুত মেকানিক দেখান। টাইমিং চেইনের অবস্থা যদি ভালো না হয় তাহলে পরিবর্তন করে ফেলুন।

No comments:
Post a Comment